হযরতপুর আহমদিয়া দাখিল মাদ্রাসা অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন লোগোহযরতপুর আহমদিয়া দাখিল মাদ্রাসাঅ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন · প্রতিষ্ঠা ২০২৪

আমাদের সম্পর্কে

হযরতপুর মাদ্রাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অরাজনৈতিক, অলাভজনক সামাজিক সংগঠন।

পরিচিতি

এক প্রাঙ্গণ থেকে ছড়িয়ে পড়া হাজারো মানুষের সংগঠন

হযরতপুর মাদ্রাসা ১৯৭২ সালে একটি টিনের ঘরে যাত্রা শুরু করে। পাঁচ দশকে এখান থেকে দাখিল ও হিফজ সম্পন্ন করে হাজারো শিক্ষার্থী দেশ-বিদেশে শিক্ষকতা, ইমামতি, চিকিৎসা, প্রকৌশল, প্রশাসন, ব্যবসা ও প্রবাসে নানা পেশায় কাজ করছেন।

এই প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের এক সূত্রে গাঁথতে ২০২৪ সালে হযরতপুর আহমদিয়া দাখিল মাদ্রাসা অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠিত হয়। মাদ্রাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং বর্তমান ও সাবেক শিক্ষকমণ্ডলী (সহযোগী সদস্য) এর সদস্য হতে পারেন।

১৯৭২
মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা
২০২৪
অ্যালামনাই গঠন
৭
নিবন্ধিত সদস্য
৬
দাখিল ব্যাচ

আমাদের লক্ষ্য

ইসলামি মূল্যবোধে গড়ে ওঠা প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ করে প্রতিষ্ঠান, শিক্ষার্থী ও সমাজের কল্যাণে সম্মিলিত শক্তি হিসেবে কাজ করা।

আমাদের স্বপ্ন

হযরতপুর মাদ্রাসার প্রতিটি প্রাক্তন শিক্ষার্থী একে অপরের পাশে থাকবেন, আর কোনো মেধাবী শিক্ষার্থী আর্থিক কারণে পড়াশোনা ছাড়বে না।

উদ্দেশ্যসমূহ

  1. ১

    প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধি করা।

  2. ২

    মাদ্রাসার শিক্ষার মান উন্নয়ন ও অবকাঠামো সম্প্রসারণে সহযোগিতা করা।

  3. ৩

    অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ দেওয়া।

  4. ৪

    বর্তমান শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা ও ক্যারিয়ার বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া।

  5. ৫

    দুর্যোগে ত্রাণ, রক্তদান ও শীতবস্ত্র বিতরণসহ সমাজসেবামূলক কাজ করা।

  6. ৬

    প্রবীণ ও মরহুম শিক্ষকদের অবদান স্মরণ ও সম্মাননা দেওয়া।

কার্যক্রম

আমরা যা করি

মেধাবৃত্তি

প্রতি বছর ৪০ জন শিক্ষার্থীকে মাসিক বৃত্তি ও বই।

বিস্তারিত →

পুনর্মিলনী ও সম্মেলন

বার্ষিক পুনর্মিলনী, ইফতার মাহফিল ও ব্যাচভিত্তিক মিলনমেলা।

বিস্তারিত →

রক্তদাতা নেটওয়ার্ক

রক্তদাতা সদস্যদের জেলা ও গ্রুপ ধরে খোঁজা যায়।

বিস্তারিত →

প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন

কম্পিউটার ল্যাব, লাইব্রেরি ও অজুখানা সংস্কার।

বিস্তারিত →

ক্যারিয়ার পরামর্শ

ভর্তি প্রস্তুতি, স্কলারশিপ ও দক্ষতা উন্নয়ন সেমিনার।

বিস্তারিত →

ত্রাণ ও সমাজসেবা

বন্যা, শীত ও দুর্যোগে এলাকার মানুষের পাশে।

বিস্তারিত →

ইতিহাস

পথচলা

  1. ১৯৭২

    স্থানীয় উদ্যোগে হযরতপুর মাদ্রাসার যাত্রা।

  2. ১৯৮৫

    দাখিল স্তরের সরকারি স্বীকৃতি ও প্রথম দাখিল ব্যাচ।

  3. ১৯৯২

    হিফজ বিভাগ চালু।

  4. ২০০৮

    বিজ্ঞান বিভাগ চালু ও নতুন একাডেমিক ভবন।

  5. ২০২৪

    আহ্বায়ক কমিটির মাধ্যমে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠন।

  6. ২০২৫

    প্রথম পুনর্মিলনী।

  7. ২০২৬

    কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন ও অনলাইন সদস্য প্ল্যাটফর্ম চালু।

ঐতিহ্য

মাদ্রাসার অধ্যক্ষবৃন্দ

আব

মাওলানা আব্দুর রহিম (রহ.)

প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ · ১৯৭২–১৯৮৯

স্থানীয় মুরুব্বিদের সাথে নিয়ে একটি টিনের ঘরে মাদ্রাসার যাত্রা শুরু করেন। তাঁর সময়েই দাখিল স্তরের সরকারি স্বীকৃতি আসে।

মো

মাওলানা মোজাম্মেল হক (রহ.)

১৯৮৯–২০০৪

হিফজ বিভাগ চালু করেন এবং দুইতলা একাডেমিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেন।

শা

মাওলানা শামসুল আলম

২০০৪–২০১৮

বিজ্ঞান বিভাগ চালু হয় তাঁর নেতৃত্বে। ছাত্রাবাস ও লাইব্রেরি সম্প্রসারণ করেন।

আব

মুফতি আবুল কালাম

বর্তমান অধ্যক্ষ · ২০১৮–বর্তমান

মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালু করেছেন এবং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠনে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়েছেন।

গঠনতন্ত্র

সংগঠনের গঠনতন্ত্র

প্রস্তাবিত গঠনতন্ত্র (১৫ নভেম্বর ২০২৪)। মূল অনুচ্ছেদগুলো এখানে সংক্ষেপে দেওয়া হলো।

অনুচ্ছেদ ১: নাম ও উদ্দেশ্য▾

সংগঠনের নাম হযরতপুর আহমাদিয়া দাখিল মাদ্রাসা অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন। উদ্দেশ্য: প্রাক্তন ছাত্রদের মধ্যে ঐক্য ও সহযোগিতা, মাদ্রাসার সাথে সম্পর্ক বজায় রাখা, নেটওয়ার্কিং ও পেশাগত উন্নয়ন, এবং মাদ্রাসা ও সমাজের কল্যাণে কার্যক্রম।

অনুচ্ছেদ ২: সদস্যপদ▾

মাদ্রাসার সকল প্রাক্তন ছাত্র সাধারণ সদস্য। অবদান রাখা অ-প্রাক্তনরা সম্মানসূচক সদস্য এবং বর্তমান বা প্রাক্তন শিক্ষক-কর্মচারীরা সহযোগী সদস্য হতে পারবেন। বার্ষিক ফি এক্সিকিউটিভ কমিটি নির্ধারণ করবে।

অনুচ্ছেদ ৩: নির্বাহী কমিটি (নীতি নির্ধারণী পরিষদ)▾

নির্বাচিত পদ: সভাপতি, সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, পাবলিক ম্যানেজমেন্ট সেক্রেটারি ও কোষাধ্যক্ষ। প্রতি মাসে বা প্রয়োজনে সভা করবে।

অনুচ্ছেদ ৪: কার্যকরী কমিটি (বাস্তবায়ন পরিষদ)▾

শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও অন্যান্য কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে। বর্তমানে ১০টি বিভাগের ৩০ সদস্যের ম্যানেজমেন্ট কমিটি এই দায়িত্বে আছে।

অনুচ্ছেদ ১০: সভা▾

বছরে অন্তত একটি সাধারণ সভা। সাধারণ সভার কোরাম সক্রিয় সদস্যদের ২০%, নির্বাহী কমিটির সভায় অধিকাংশ সদস্যের উপস্থিতি।

অনুচ্ছেদ ১১: নির্বাচন▾

নির্বাহী কমিটির নির্বাচন প্রতি বছর নভেম্বর/ডিসেম্বরে সাধারণ সভায়। সকল সাধারণ সদস্য ভোটার ও প্রার্থী হতে পারবেন। ভোট হবে গোপন ব্যালটে বা অনলাইনে। বাকি পদ অভিজ্ঞতা, উৎসাহ ও জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে বাছাই হবে।